Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Apr 1, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কৃষক কার্ড-ফ্যামিলি কার্ড স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কারণে দেশে কোনো ধরনের মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য আকতার হোসেনের (রংপুর ৪) এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য যে প্রশ্নটি করেছেন-কতজন মানুষের কাছে আমরা কার্ড পৌঁছে দেব, মূল্যস্ফীতি হবে কি না, বাজেট কত, স্বাভাবিকভাবে বাজেট কত, এটি আমরা এখনই বলছি না। অর্থাৎ আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে বিষয়গুলো সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। 

আমরা যেহেতু প্রতি মাসে এটি সম্প্রসারণ করতে থাকব, অর্থাৎ অধিক সংখ্যক নারী ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অধিক সংখ্যক পুরুষ কৃষক কার্ড পাবেন-একবারে সবাইকে দেওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে এটি করা সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতিবছর আমরা বাজেটের পরিমাণ বাড়াব এবং প্রতি বাজেটে বরাদ্দ রাখা হবে।

তিনি বলেন, এভাবে পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে আমরা এগোব এবং অবশ্যই এটি বাজেটে প্রাধান্য পাবে। আর আপনি যেটা বলেছেন মূল্যস্ফীতি হবে কিনা-আমরা তো টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না। কাজেই মূল্যস্ফীতি হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

বরং আমরা মনে করি, এই টাকাগুলো যখন বাজারে যাবে, তখন প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও নারীরা তা দেশের ভেতরেই ব্যয় করবেন। তারা এই টাকা বিদেশে পাচার করবেন না; বরং স্থানীয় অর্থনীতিতে খরচ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন নারী এই টাকা দিয়ে সন্তানের পড়াশোনা, পরিবারের খাদ্যব্যবস্থা বা ছোট কোনো ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ফলে সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।’

উদাহরণ হিসেবে তারেক রহমান বলেন, ‘কোনো নারী যদি এই টাকা দিয়ে স্থানীয় মুদির দোকান থেকে পণ্য কেনেন, তাহলে ওই দোকানের বিক্রি বাড়বে। এতে দোকানির আয় বাড়বে এবং প্রয়োজনে তিনি নতুন কর্মচারী নিয়োগ দিতে পারবেন। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় অর্থনীতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হবে। দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ স্থানীয় শিল্পের পণ্য ব্যবহার করে। ফলে এসব উদ্যোগ স্থানীয় শিল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি না যে এতে মূল্যস্ফীতি হবে। বরং অর্থনীতি আরও সচল ও শক্তিশালী হবে। হয়তো আগামী ছয় মাসে বড় পরিবর্তন দেখা যাবে না, তবে তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে।

 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসরাইলের সাথে আপাতত সরাসরি আলোচনা নয়: আল শারা

1

আজ আসছে না এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা পেছ

2

হামজা-শমিতরা কঠিন কাজটাই সহজ করে দিয়েছে

3

স্কোয়াডে অস্ট্রেলিয়ার চমকপ্রদ পরিবর্তন, নেই কামিন্স

4

ইউটিউব ভিউয়ে শীর্ষে জোভান-তটিনীর নাটক

5

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ড রুপায়

6

জাইমা রহমানের প্রশংসা করলেন তানজিন তিশা

7

২১তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা চালু করছে বুলগেরিয়া

8

ইরানকে কিছুতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেব না: ট্রাম্প

9

এরদোয়ানকে নিয়ে নেতানিয়াহুর মন্তব্যে ক্ষুব্ধ তুরস্ক

10

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল

11

ঢাকায় প্রথমবারের মতো ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা

12

ইতালির স্বপ্নপূরণের রাত, ভয় আছে স্বপ্নভঙ্গেরও

13

যুব এশিয়া কাপের ফাইনালসহ খেলার সূচি

14

সরকার পতনের এক বছর পরও দেশে ফেরা নিয়ে দোটানায় কেন নাগরিকরা?

15

খাগড়াছড়িতে ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবী

16

নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্

17

বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে মঙ্গোলিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতের সৌজন

18

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়ালো ২০০

19

জামায়াত আমিরের সঙ্গে যে আলোচনা হলো চীনা রাষ্ট্রদূতের

20