Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Dec 3, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

হিজবুল্লাহকে অস্ত্র ছেড়ে সংলাপে বসার পরামর্শ দিয়েছি: পোপ লিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লেবাননের সফরের শেষ দিন গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) স্কাই নিউজ আরাবিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পোপ বলেন, ভ্যাটিকান ‘সকল পক্ষকে সহিংসতা ত্যাগ করে সংলাপের টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, চার্চ ‘হিজবুল্লাহকে অস্ত্র রেখে সংলাপে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছে।’

পোপ বলেন, বৈরুতে তার রাজনৈতিক সভাগুলো মিডিয়া থেকে দূরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক বিরোধগুলো হ্রাস করার ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল। তার লেবানন সফর শুরুর আগে হিজবুল্লাহর পাঠানো এক চিঠি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে পোপ জবাবে বলেন: ‘আমি হিজবুল্লাহর চিঠি পর্যালোচনা করেছি এবং এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে চাইছি না।’
 
গত শনিবার (২৯ নভেম্বর) পোপ লিওকে একটি চিঠি পাঠায় হিজবুল্লাহ। তাতে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে অব্যাহত ইসরাইলি হামলার প্রকাশ্যে নিন্দার আহ্বান জানায় গোষ্ঠীটি। চিঠিতে তারা বলেন, ‘পোপের এ শুভ সফরকে সামনে রেখে আমরা আবারও আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করছি যে, লেবাননের বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের মূলনীতি। দেশের সেনাবাহিনী ও জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে যেকোনো আগ্রাসন ও দখলদারির বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের অঙ্গীকার।’

হিজবুল্লাহ বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ইসরাইল যে আচরণ করছে তা অগ্রহণযোগ্য। তারা আশা প্রকাশ করে যে, পোপ লিও লেবাননের জনগণের ওপর অবিচার ও হামলার বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত কথা বলবেন। এর আগে এক বক্তব্যে হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাইম কাসেম পোপের সফরকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি পোপের কাছে হস্তান্তরের জন্য সদস্যদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং তা প্রকাশেও কোনো গোপনীয়তা থাকবে না।
 

তিনি আরও জানান, তাদের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুরোপুরি মেনে চলা হয়েছে, কিন্তু ইসরাইল ধারাবাহিকভাবে লেবাননের ভেতরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। শেখ কাসেম আশা প্রকাশ করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পোপের উপস্থিতি লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আমরা দৃঢ় আশা করি, তিনি লেবাননকে আগ্রাসন থেকে মুক্ত করতে এবং শান্তি স্থাপনে সহায়তা করবেন।

২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ইসরাইলকে লেবাননের সব এলাকা থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করতে বলা হয়। কিন্তু এখনো পাঁচটি স্থানে তাদের সেনা অবস্থান করছে, যা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এরপর থেকে ইসরাইল বারবার লেবাননের ভেতরে হামলা চালাচ্ছে, যা দেশের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে সতর্ক করেছে লেবানন সরকার।

 

 


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হত্যার বিচার কি আদৌ হবে, প্রশ্ন ওসমান হাদির স্ত্রীর

1

ভারতে বাংলাদেশের খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে যা বললেন হর্ষবর্

2

অভ্যুত্থানের পর নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান তারেক রহমানের

3

অন্তর্বর্তী সরকারের আবারও ক্ষমতায় থাকার সুযোগ নেই: মান্না

4

বিয়ের গুঞ্জনের মধ্যেই বিজয়-রাশমিকাকে ঘিরে এল নতুন খবর

5

ফ্যাসিস্ট হাসিনার কারণে খালেদা জিয়া আজ মৃত্যুশয্যায়: রিজভী

6

‘গাজা থেকে ১ মিলিমিটারও সরবে না ইসরাইল’

7

দক্ষিণ আফ্রিকায় জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

8

গার্দিওলার ১০০০তম ম্যাচ : লিভারপুল-সিটির দুইয়ে ওঠার সুযোগ

9

দেশ ও দেশের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ: ড. জালাল

10

বিশ্বকাপের আগে বিপদে ভারত

11

পে স্কেল বাস্তবায়নে ‘জোটবদ্ধ’ সরকারি চাকরিজীবীরা, আসছে একগুচ

12

দেড় দিন খেলেই ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল অস্ট্রেলিয়া

13

বাইপাইল নয়, আজকের ভূমিকম্পের উৎপত্তিও নরসিংদীতে

14

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে মুনাফা কত, কিনবেন যেভাবে

15

দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের উপর ইসরাইলের গুলি

16

দুর্গাপুরে কমরেড অনিমা সিংহের জন্মবার্ষিকী পালিত

17

জাতীয় নির্বাচনের তফশিল আগামী সপ্তাহে

18

পাকিস্তানকে ৫৪ রানে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

19

মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় দুই দিন বাড়তে পারে

20