আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাকের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন পাওয়া রাজনীতিক নূরী আল-মালিকির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দামেস্কে নিযুক্ত মার্কিন বিশেষ দূত টম ব্যারাক।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রীতি সিরিয়া ও তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা বেশ কয়েকবার ইরাকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য দেশটি সফর করেছেন।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরাকের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী নূরী আল-মালিকিকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিলে সহায়তা বন্ধের হুঁশিয়ার দিয়েছেন। একইসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন মালিকির বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে।
এরপর এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-মালিকি বলেছিলেন, তিনি তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না, একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ দূর করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব এবং এর ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রত্যাহার করার কোনও ইচ্ছা আমার নেই।
উল্লেখ্য, গত মাসে ইরাকের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নূরী আল-মালিকিকে সমর্থ দেয় দেশটির পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়া জোট। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাকে জোটের পক্ষ থেকে ‘বৃহত্তম সংসদীয় জোটের প্রার্থী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
৭৫ বছর বয়সি নূরী আল-মালিকি ইরাকের রাজনীতিতে পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা। ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আগ্রাসনে সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর তিনি একমাত্র ব্যক্তি, যিনি টানা দুই মেয়াদে ২০০৬ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
ইরাকের রাজনৈতিক সমঝোতা অনুযায়ী, দেশটিতে প্রধানমন্ত্রী সাধারণত শিয়া মুসলিমদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হন। পার্লামেন্ট স্পিকারের পদটি সুন্নি মুসলিমদের জন্য এবং রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক পদটি কুর্দিদের জন্য নির্ধারিত থাকে
মন্তব্য করুন