Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Nov 10, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

আমেরিকার রাজনীতিতে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ৬ মুসলিম নেতার উত্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মুফতি আবদুল্লাহ তামিম

প্রথমজন রাশিদা তালিব। ১৯৭৬ সালে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে জন্ম নেওয়া রাশিদার পরিবার ফিলিস্তিনের বাথলাহ গ্রাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করেন। ২০১৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হয়ে প্রথম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য হন।

 

 
তৃতীয়জন ইমান জোদেহ। তার পরিবার ১৯৭৪ সালে ফিলিস্তিন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করে। ১৯৮৩ সালে ডেনভারে জন্ম নেওয়া ইমান ২০২০ সালে কলোরাডো হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে কলোরাডো সিনেটে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
 
চতুর্থজন রুয়া রোমান। ১৯৯৩ সালে জন্ম নেওয়া রুয়া’র পরিবার ফিলিস্তিন থেকে জর্ডান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ২০২২ সালে তিনি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হয়ে মুসলিম ও ফিলিস্তিনি নারীদের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
 
পঞ্চমজন আব্দুল নাসের রাশিদ। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেওয়া রাশিদ ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রিধারী এই তরুণ নেতা ২০২৩ সালে ইলিনয় হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হন।
 
ষষ্ঠজন স্যাম রাসুল। তার বাবা-মা ১৯৬৭ সালের আরব–ইসরায়েল যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। ভার্জিনিয়ার রোয়ানোক উপত্যকায় বেড়ে ওঠা স্যাম বর্তমানে ভার্জিনিয়া হাউস অফ ডেলিগেটসে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
 
এই ছয়জন নেতার রাজনৈতিক সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ও অভিবাসী বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিচ্ছবি। তারা মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতার পক্ষে সরব কণ্ঠে কথা বলছেন। নিজেদের ফিলিস্তিনি শিকড় ও মুসলিম পরিচয় লুকিয়ে না রেখে, বরং সেটিকে শক্তি ও আত্মপরিচয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহার করছেন।
 
যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (CAIR) জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মুসলিম প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ও বিজয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শুধু জাতীয় পর্যায়ে নয়, স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা বোর্ডের মতো ক্ষেত্রেও মুসলিম নেতাদের উপস্থিতি দৃশ্যমান হচ্ছে।
 
তবে এই অগ্রযাত্রা সহজ নয়। ধর্ম ও বর্ণভিত্তিক মানসিকতা, ইসলামভীতি এবং পরিচয়জনিত প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়েও তারা এগিয়ে চলেছেন দৃঢ় মনোবল নিয়ে। বিশ্লেষকদের মতে, এই তরুণ প্রজন্ম যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

 

 


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের সুযোগ দিল ইসি

1

ট্রাম্পের ‘মার্বেল লিংকন বাথরুম’ উন্মোচন নিয়ে তীব্র সমালোচনা

2

পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুতিতে আরেকটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে

3

জাপানের ভাইস-মিনিস্টারের সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ স‌চিবের সাক্ষা

4

প্রথম ইনিংসে ৪৫০ রান দিয়ে ভারত কি আগে টেস্ট জিতেছে?

5

নিয়ন্ত্রণহীন পারমাণবিক প্রতিযোগিতার শুরু, পরিণতি কী?

6

নীল লেহেঙ্গায় গ্ল্যামারাস সাজে মিম

7

বাংলাদেশ সিরিজের সূচি প্রকাশ করলো দক্ষিণ আফ্রিকা

8

তারেক রহমান চাইলে এক দিনেই ট্রাভেল পাস দেবে সরকার: পররাষ্ট্র

9

আপনাদের টাকা দিয়েই আমরা বিয়ে করব: ঐন্দ্রিলা

10

সিলেট জুড়ে কৃষকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বোরো ধান চাষে

11

যেসব নির্দেশনা আল্লাহর পথে ফিরে আসার শেষ ডাক

12

পুঁজিবাজারে মূলধন বেড়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা

13

ফুলবাড়ীতে সাঁতার প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের উদ্বোধন॥

14

বাংলাদেশ নিষ্ক্রিয় করিডোর নয় : তৌহিদ হোসেন

15

শেখ হাসিনা টিউলিপসহ ১৮ জনের মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

16

জাতি বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে : ঢাবি ভিসি

17

একটা পক্ষ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে হতাশ: জামায়াত আমির

18

সংসদ নির্বাচন : প্রবাসী নিবন্ধন ছাড়ালো ৫ লাখ ৯৪ হাজার

19

ফিলিপাইনে ৬.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

20