Ads here
রিপোর্টার
প্রকাশ : Feb 20, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

২০০৩ সালের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধের চরম উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যে ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর বৃহত্তম বিমান শক্তি জড়ো করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। 

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অত্যাধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং ও এফ-২২ র্যাপ্টর স্টিলথ ফাইটারসহ কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা এই বিশাল সামরিক বহর যেকোনো মুহূর্তে ইরানের ওপর ভয়াবহ আঘাত হানতে প্রস্তুত।

আকাশপথের শক্তির পাশাপাশি সমুদ্রপথেও নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পারস্য উপসাগর এবং ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ ১৩টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড তার নিজস্ব স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে এই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত জুনের ‘মিডনাইট হ্যামার’ অপারেশনের মতো একক কোনো হামলা নয়, বরং কয়েক সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘস্থায়ী বিমান যুদ্ধের সক্ষমতা নিয়ে এবার মাঠে নেমেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

তবে এই সামরিক প্রস্তুতির মাঝেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা লক্ষ্য করা গেছে। হোয়াইট হাউসের সূত্রমতে, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এই হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি বিবেচনা করছেন এবং মিত্রদের সাথে পরামর্শ করছেন। হামলার লক্ষ্যবস্তু কেবল ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি তেহরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হবে—সে বিষয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট রূপরেখা পাওয়া যায়নি। 

এদিকে জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির খবর পাওয়া গেলেও উভয় পক্ষই তাদের মৌলিক অবস্থানে অনড় রয়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানও তার বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং আঞ্চলিক প্রক্সি বাহিনীগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। তেহরান হুমকি দিয়েছে যে হামলা হলে তারা বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। 

প্রাক্তন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই বিশাল শক্তি প্রদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে ইরানকে একটি কঠিন চুক্তিতে আসতে বাধ্য করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের কাছে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমি মনে করি না যে তারা (ইরান) চুক্তি না করার পরিণাম ভোগ করতে প্রস্তুত।

সূত্র: এনডিটিভি।


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া চাকরির ফাঁদ থেকে সাবধান

1

যেভাবে চিকিৎসক থেকে রাজনীতিতে এনসিপি নেত্রী মিতু

2

জাতীয় দলে সাকিবকে ফেরানো নিয়ে সবশেষ যা জানাল বিসিবি

3

মস্কোতে আবাসিক ভবনে রুশ জেনারেল গুলিবিদ্ধ

4

এবার কোয়ান্টাম অস্ত্র নির্মাণ চীনের!

5

মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে যে পরামর্শ দিলেন জয়া

6

ভারতে নতুন আতঙ্ক, গলা বাঁচাতে অদ্ভুত কাণ্ড

7

নওগাঁয় অনুমতি নেই’ বলছে প্রশাসন: তবুও চলছে স্কুল মাঠে মেলা

8

ড. ইউনূসের প্রশাসন থেকেই দোসরদের প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে: রিজভী

9

নয়াপল্টনে যাচ্ছেন তারেক রহমান

10

২৬ দিনে প্রবাসী আয় হলো ২৭১ কোটি ডলার

11

ঢাবিতে ছাত্রদলের গোলাপ বিতরণ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভ

12

‘প্রাণীকে কষ্ট দেওয়ার আগে ভাববেন, তাদেরও জীবন আছে, ব্যথা আছ

13

ভুমি মন্ত্রণালয়কে জনবান্ধবে পরিনত হবে ভুমি প্রতিমন্ত্রী ব্যা

14

ভালো করতে পারেননি তাসকিন, তার দলও হেরেছে

15

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব চালু হয় দাসদের সন্তানের জন্য, ধনীদের নয়

16

যেভাবে বদলে গেছে আনুশকার জীবন, বলিউডে আর ফিরবেন?

17

শীতে উজ্জ্বল ত্বকের জন্য খেতে পারেন ৫ ফল

18

আজ চরমোনাই পীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান

19

নেপালে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হলেন সাবেক র‍্যাপার

20