ডেস্ক নিউজ : রোববার (৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৬১২ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। এতে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ১৪৫ দশমিক ১২ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার।
আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৬.৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এর আগে গত ৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার ৭১২ মিলিয়ন বা ৩২.৭১ বিয়িলন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ২৮ বিলিয়ন ডলার।
এছাড়া গত ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার ১৪৯ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৭ হাজার ৩৪৭ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করা ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়।
মন্তব্য করুন